তিতা খাওয়া স্বাস্থ্যের পক্ষে কতটা উপকারী, জেনে নিন

|

করলা খাওয়ার কথা বললেই মানুষের মুখ তিক্ততায় ভরে যায়। তবে তিতা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য খুব উপকারী। আমরা এই তিতা বিভিন্নভাবে ব্যবহার করতে পারি। তিতার অনেক গুণ রয়েছে, যা অনেক রোগের ঝুঁকি হ্রাস করতে পারে। করলা রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে সহায়তা করে। করলাতে মেমারসিডিন এবং চর্যাটিনের মতো অ্যান্টি-হাইপার গ্লাইসেমিক উপাদান রয়েছে। করলা কীভাবে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে, জেনে নিন-

এটি এইভাবে কাজ করে
করলার মধ্যে পাওয়া মোমরসিডিন এবং চর্যাটিন নামক উপাদানগুলি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে সহায়তা করে। এছাড়াও এতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে যা ডায়াবেটিস রক্ষা করতে করতে সহায়তা করে। তিতা করলার বীজে পলিপেপটাইড-পি নামে উদ্ভিদ ইনসুলিন থাকে। অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত ইনসুলিন রক্তে শর্করার মাত্রা হ্রাস করার সাথে সাথে এই ইনসুলিন কাজ করে।
তিক্ত করলার রস খালি পেটে গ্রহণ করা উচিত। এটি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।

করলার তেতোভাব কমাতে এটি টুকরো টুকরো করে কেটে হলুদ এবং লবণ দিয়ে গরম জলে পনের মিনিট ভিজিয়ে রাখুন। এর পরে এই টুকরোগুলিতে লেবুর রস মিশিয়ে পিষে নিন। তারপরে এটি ফিল্টার করে সকালে খালি পেটে পান করুন। স্বাদ পরিবর্তন করতে চাইলে করলার রসে আমলার রস যোগ করতে পারেন।
করলাতে আয়রণ, ম্যাগনেসিয়াম, পটাসিয়াম এবং ভিটামিন সি জাতীয় পুষ্টি রয়েছে। এটি ফাইবার সমৃদ্ধ, যা পেট ভরা রাখতে এবং হজমে উন্নতি করতে সহায়তা করে। একটি সমীক্ষা অনুসারে জানা যায় যে, এটি স্থূলত্ব কমাতেও সহায়তা করে। এমন পরিস্থিতিতে, আপনি যদি এই স্বাস্থ্যকর সবজির রস প্রতিদিন খান তবে এটি অবশ্যই আপনাকে ওজন হ্রাস করতে এবং ফিট ফিগার পেতে সহায়তা করবে।

তিতা করলার উপকারিতা
১- ক্যান্সার
২- পাথর
৩- চর্মরোগ
৪- আলসার, ডায়রিয়া
৫- গ্যাসের সমস্যা
৬- জন্ডিস
৭- বাত
৮- মুখের আলসার








Leave a reply