ডায়েট করে ওজন বাড়ান!

|

বাড়তি ওজন যেমন কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলতে পারে, তেমনই স্বাভাবিকের তুলনায় ওজন কম হলেও তা সমান চিন্তার বিষয়

আপনার খাদ্যাভ্যাস অর্থাৎ, সাধারণত আপনি যে ধরনের খাবার খেতে অভ্যস্ত, ওজন বাড়াতে বা কমাতে তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। উচ্চতা অনুসারে আপনার কত হওয়া উচিৎ তা সহজেই হিসেব করে নিতে পারেন। বাড়তি ওজন যেমন কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলতে পারে, তেমনই স্বাভাবিকের তুলনায় ওজন কম হলেও তা সমান চিন্তার বিষয়। জেনে নিন ওজন বাড়াতে কেমন খাবার-দাবার খাবেন।

নারীদের ক্ষেত্রে হিসেব করার সূত্র

৪৯ + ৫ ফুটের পর থেকে প্রতি ইঞ্চির জন্য ১.৭ কেজি। অর্থাৎ, আপনার উচ্চতা যদি ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি হয়, সেক্ষেত্রে আপনার আদর্শ ওজন হওয়া উচিত ৪৯+(১.৭*৪) কেজি = ৫৫.৮ কেজি।

পুরুষদের ক্ষেত্রে হিসেব করার সূত্র

৫২ + ৫ ফুটের পর থেকে প্রতি ইঞ্চির জন্য ১.৯ কেজি। অর্থাৎ, আপনার উচ্চতা যদি ৫ ফুট ১০ ইঞ্চি হয়, সেক্ষেত্রে আপনার আদর্শ ওজন হওয়া উচিত ৫২+(১.৯*১০) কেজি = ৭১ কেজি।

বিশেষ সতর্কতা

শারীরিক গঠনভেদে ওজন এর চেয়ে ৫ কেজি বেশি বা কম হতে পারে। তবে তার বেশি বা কম হলে, তা অস্বাস্থ্যকর। হ্যাঁ, স্বাভাবিকের তুলনায় ওজন কম হওয়াও কিন্তু খারাপ। তাই সঠিক ওজন পেতে ডায়েটে কিছু পরিবর্তন আনা আবশ্যক। কয়েকটি বিষয়ে নজর রাখার চেষ্টা করুন।

১. প্রতিদিন আপনার শরীর যতটা ক্যালরি বার্ন করছে, তার চেয়ে বেশি পরিমাণে ক্যালরি গ্রহণ করুন। তবে সেইসঙ্গে নিয়মিত শরীরচর্চা (ওয়েট ট্রেনিং প্রোগ্রাম) করাও বাঞ্ছনীয়। এতে শরীরে অতিরিক্ত ফ্যাট জমবে না।

২. ডায়েটের মাধ্যমে শরীরে যেন সব ধরনের পুষ্টিই পৌঁছায়, সেদিকেও খেয়াল রাখুন। নিউট্রিয়েন্টস পেশী তৈরি করতে সাহায্য করবে।

৩. বারেবারে অল্প পরিমাণে খাবার খান।

৪. আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট, যাকে সাধারণত “গুড ফ্যাট” বলা হয় তাও আপনার জন্য খুব উপকারী। এই ধরনের ফ্যাট অল্প সময়ে ওজন বাড়াতে সাহায্য করবে।

৫. প্রতিদিনের রান্নায় যদি এক টেবিল চামচ ফ্ল্যাক্সসিড অয়েল বা দু’ টেবিল চামচ অলিভ অয়েল যোগ করেন তাতেও শরীরে প্রতিদিন প্রায় ৪০০-৫০০ ক্যালরি বেশি যাবে। সেক্ষেত্রে, অতিরিক্ত খাবার খাওয়ারও প্রয়োজন হবে না।

৬. হাই প্রোটিন জাতীয় (লো স্যাচুরেটেড ফ্যাট) খাবার যেমন মাছ, চিকেন ব্রেস্ট, ডিম, আমন্ড বা কাজুবাদাম, ফ্ল্যাক্সসিড অয়েল ইত্যাদি নিয়মিত খান।

৭. যদি শরীরে কোনও ভিটামিনের ঘাটতি থাকে, তাহলে তা পূরণ করার চেষ্টা করুন।

৮. শরীরে সব নিউট্রিয়েন্টস যথাযথ পরিমাণে না থাকলে, তা সঠিক ওজনের পথে অন্তরায় হয়ে দাঁড়াতে পারে।








Leave a reply