ডায়াবেটিস থেকে কিভাবে মুক্তি পাবেন

|

ডায়াবেটিস সমগ্র বিশ্বে বর্তমানে একটি মারাত্মক সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মত বাংলাদেশ ও এ সমস্যা বর্তমানে ক্রমাগত ভাবে বেড়েই চলছে।

নারী ও পুরুষদের অনেকেই অসতর্ক অবস্থায় ডায়াবেটিস সমস্যাকে বয়ে বেড়াচ্ছেন। আপনি হয়তো জানেন না, আপনার জীবনের জন্য হুমকি হয়ে ওঠা আজকের এই রোগটি আপনার ভবিষ্যতের জন্যও সমানভাবে হুমকি। সেটি কিভাবে?

অত্যান্ত দুঃখের বিষয যে, আধুনিক জীবনেরে গাঁ বেয়ে ওঠা সমস্যাটি আপনার শিশুর ওপরও ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে।

সম্প্রতি প্রকাশিত একটি পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, বাংলাদেশের অধিকাংশ লোক অন্যান্য দেশের লোকদের তুলনায় দু’ধরণের ডায়াবেটিস রোগে ভুগছেন।
এখন বলেন, প্রতিদিন ওষধ গ্রহণ করতে কে বা পছন্দ করে? ইনসুলিন ও ডায়ালাইসিস এক্ষেত্রে খুবই বিরক্তিকর এক অভিজ্ঞতা ছাড়া আর কি!

আপনি হয়তো কোন ভুল ধারণার মধ্যে আছেন, তাই হয়তো মিষ্টি খাবার এরিয়ে চলছেন।মিষ্টি ডায়াবেটিসের একমাত্র কারণ নয়। দুঃশ্চিন্তা ও জিন বা বংশগত প্রভাবও ডায়াবেটিস হবার জন্য দায়ী।কিন্তু বংশগত কারণে আপনার যদি ডায়াবেটিস হয়, সেক্ষেত্রে অবশ্য তেমন কিছু আপনার করার থাকবে না।

ডায়াবেটিস থেকে রক্ষার জন্য প্রতিদিন ওষুধ খেতে হবে না আপনাকে। শুধু সামান্য কিছু পরিবর্তন আনতে হবে আপনার জীবনে। বলা চলে, আপনার দৈনন্দিন কর্মকান্ডের ভিতর।

ডায়াবেটিস প্রতিরোধের জন্য আপনি আপনার বাসায় এই নিয়মগুলো মেনে চলুন, আশা করা যায়, অতি দ্রুতেই আপনি দুঃশ্চিন্তামুক্ত, সুস্থ্য ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যেতে পারবেন।

আমরা সকলেই জানি, কেউই বেদনাদায়ক বা কষ্টকর কোন কিছুর মুখোমুখি হতে চায় না। এমনই একটি বিষয় ওষধ গ্রহণ। সবার কাছেই এটি কম-বেশি বিরক্তিকর এক অভিজ্ঞতা! তাই আপনার কাছে প্রশ্ন, ওই সব ওষধ গ্রহণের চেয়ে ফল বা শাকমবজি খাওয়া কি উত্তম নয়?

খালি পেটে ফলের রস পান করা, কিংবা ফল খাওয়া ডায়াবেটিস রোধে খুবই কারযকর। তবে দেখা গেছে, স্বাদে তিতা ফলের রস খেলে ভালো ফলাফল পাওয়া যায়।এক্ষেত্রে করোল্লা বা উচ্ছা জাতীয় খাবার সাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারী। এগুলো জুস বা ভাঁজি করে খাওয়া যেতে পারে। এজন্য অবশ্য আপনার নিয়মিত খাবারের তালিকা পরিবর্তনের দরকার হবেনা।

প্রতিরাতে শোবার আগে জলে কয়েকটি মেথির বীজ ভিজিয়ে রাখুন। সকালে ব্রাশ করার পর খালি পেটে ওই বীজগুলো আগে খেয়ে ফেলুন।

জামরুল ফল ডায়াবেটিস সারানোর জন্য একটি অত্যন্ত উপকারি ফল। এর কিছু বীজ ধুয়ে শুকিয়ে, তারপর গুড়া করে জলের সাথে মিশিয়ে খেলে উপকার পাওয়া যাবে।

পেয়ারা এমন একটি ফল, যেটি প্রায় সারা বছরই পাওয়া যায়। সম্প্রতিক একটি গবেষণায় এটি স্পষ্ট যে, ভিটামিন সি সমৃদ্ধ এই ফলটির খোসা রক্তে চিনির মাত্রা বাড়িয়ে দেয়, তাই আপনার জন্য এর খোসা না খাওয়াই ভালো।

আমলা জাতীয় ফল রক্তে চিনির মাত্রা কমিয়ে থাকে।

আপনার চা বা কফিতে চিনির পরিবর্তে মধু দিন।

গবেষণায় প্রমাণিত, চিনি ছাড়া ব্ল্যাক কফি পান করলে দু’ধরণের ডায়াবেটিসের ঝুঁকি থাকে না।

এছাড়া গ্রিন চাও শরীরের রক্তে চিনি ও ইনসুলিনের মাত্রা কমাতে বিশেষ সাহায্য করে।

অতএব, নিয়মিত হাঁটা ও ব্যায়াম না করেও আপনি ভালো থাকতে পারেন অনায়াসে এই কয়েকটি কাজ করে ।








Leave a reply