ঠাণ্ডায় এই জিনিসগুলির ব্যবহার আপনাকে রোগ ব্যাধি থেকে দূরে রাখবে

|

সাধারণত শীত মৌসুমে ছোট বাচ্চাদের এবং বয়স্কদের অনেক সমস্যায় পড়তে হয়। এই মৌসুমে একটু অযত্নও তাদের জন্য খুব বিপজ্জনক হতে পারে। ঠান্ডা নবজাতককে শীতের সময় ডায়রিয়া এবং নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত করে তোলে। একই সঙ্গে, যুবক ও বয়স্করা আবহাওয়ার পরিবর্তনের কারণে অসুস্থ হয়ে পড়ছে এবং অনেকেই হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে। পরিস্থিতি এমন যে, আজকাল সরকারী থেকে বেসরকারী হাসপাতাল ওপিডি পর্যন্ত রোগীদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

সম্প্রতি বিশেষজ্ঞরা বলেছেন যে, এই রোগগুলির মূল কারণ ভাইরাসের বিস্তার। তারা বলেছেন যে, সর্দি একটি সংক্রামক রোগ যা খুব দ্রুত বেড়ে ওঠে।
ঠান্ডা আবহাওয়ায় রুটি শরীরের জন্য খুবই উপকারী। এটি প্রথমে শরীরকে উষ্ণ রাখে, প্রোটিনের পাশাপাশি ভিটামিন বি, ক্যালসিয়াম, ফাইবার এবং রুটিতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্টগুলি শরীরের পক্ষে ভাল। ঠাণ্ডা এড়াতে বাচ্চাদের ও রুটি খাওয়াতে হবে।
শিশু এবং বয়স্কদের ঠাণ্ডা আবহাওয়ায় বিশেষ মনোযোগ এবং সাবধানতা প্রয়োজন। শীতে মধু খেলে শরীরকে অনেক রোগ থেকে দূরে রাখা যায়। মধু আয়ুর্বেদে অমৃত হিসাবে বিবেচিত হয়। ঠাণ্ডা এক গ্লাস দুধ এক চা চামচ মধু মিশিয়ে রাতে ঘুমানোর আগে খেতে হবে।
শীতকালে মাছ এবং স্যুপও খুব কার্যকর। খাবারে আদা ব্যবহার করে শরীর কেবল উত্তপ্ত হয় না, হজমের প্রক্রিয়াও ভাল হয়।

বাচ্চাদের ঠান্ডা থেকে রক্ষা করার উপায়

যখন সূর্য বের হয় তখন বাচ্চাকে রোদে বসান। বদ্ধ ঘরে প্রতিদিন গোসল করিয়ে পোশাক পরান । পুরো শরীর জুড়ে পুরো পোশাক পরুন এবং হাতে পায়ে মোজা এবং গ্লাভস রাখুন। আপনি যদি খুব অলস হয়ে থাকেন এবং দুধ পান না করেন, তবে একজন ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করুন। সন্তানের মায়ের ঠাণ্ডা কিছু খাওয়া এড়ানো উচিত, কারণ শিশুটি মায়ের কাছ থেকে ঠাণ্ডা পেতে পারে। পরিচ্ছন্নতার দিকে ও বিশেষ মনোযোগ দিন।

বিশেষ যত্ন নিতে হবে

ছোট বাচ্চাকে দু’চাকার গাড়িতে উঠতে দিবেন না , কারণ এতে তার শ্বাসকষ্টের সমস্যা হবে। খুব ঠান্ডা বাতাসের কারণে শিশুর মুখ এবং নাক থেকে রক্ত পড়তে পারে। এ জাতীয় ঠান্ডায় নিউমোনিয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে। হাত ও পা লাল হয়ে যাওয়ার কারণে জানা যাবে যে শিশুটির ঠান্ডা লেগেছে, এমন ঠান্ডায় বাচ্চার হাত ও পা অসাড় হয়ে পড়ে। যদি শিশুটি সচল না থাকে তবে অবিলম্বে ডাক্তার দেখান।








Leave a reply