জেনে নিন শাঁপলা ফুল খাওয়ার উপকারিতা

|

শাঁপলা ফুল বাংলাদেশের জাতীয় ফুল। শাঁপলা ফুল বাংলাদেশের প্রায় সব খাল,বিল,পুকুর,ডোবা ইত্যাদি জলাশয়ে পাওয়া যায়।শাপলাকে আমরা ফুল হিসাবে জানলেও এটা কিন্তু সবজি বা তরকারি হিসাবে ব্যবহার করা যায়।শুধু গ্রামে নয় শহরেও শাপলা ফুলের সবজির জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে।শাঁপলা ফুল পাতা লম্বা বোঁটাযুক্ত পানির ওপর ভাসমান থাকে। কাদা থেকে লম্বা ডাঁটা যুক্ত ফুলের কলি বের হয়।

আমাদের দেশে সাধারণত লাল শাপলা ও সাদা শাপলা বেশি দেখা যায়। তবে নীল রঙের ভিন্ন প্রজাতির শাপলাও পাওয়া যায়।শাঁপলা বেশ জনপ্রিয় একটি সবজি। বিভিন্ন ধরনের ভেষজ গুণাবলীতে ভরপুর এই শাপলা। আমাদের দেশে লাল রঙের শাপলা দিয়ে ‍মূলত ভেষজ ওষধ তৈরী করা হয়ে থাকে। আর সাদা রঙের শাপলা দিয়ে তরকারি রান্না করে খাওয়া হয়ে থাকে।

শাপলার পুষ্টিগুণঃ প্রতি ১০০ গ্রাম শাপলার লতায় রয়েছে খনিজ পদার্থ ১.৩ গ্রাম, আঁশ ১.১ গ্রাম, ক্যালোরি-প্রোটিন ৩.১ গ্রাম, শর্করা ৩১.৭ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ৭৬ মিলিগ্রাম। শাপলার ফল দিয়ে চমৎকার সুস্বাদু খইও তৈরি হয়।

আমাশয় ও পেট ফাঁপায়ঃ শাপলা আমাশয় ও পেট ফাঁপায় দারুন কাজ করে থাকে। শাপলা শরীরকে শীতল রাখে, হৃদযন্ত্রের কার্যকারিতা বাড়ায় ও পিপাসা দূর করে। প্রসাবের জ্বালা পোড়া, আমাশয় ও পেট ফাঁপায় শাপলার গুরুত্বপূর্ণ্য ভূমিকা রয়েছে।

ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণ করেঃ শাপলায় প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম থাকে। একটা আলুর চেয়ে অন্তত সাত গুণ বেশি ক্যালসিয়াম থাকে শাঁপলা ফুলে।

আয়ুর্বেদিক ঔষধ হিসাবেঃআয়ুর্বেদিক ঔষধ বানাতে শাপলার ব্যবহার রয়েছে। এই ঔষধ অপরিপাকজনিত রোগের পথ্য হিসেবে কাজ করে সাম্প্রতিক গবেষণায় পাওয়া গেছে, শাপলা ফুল-এ ডায়াবেটিক রোগের জন্য প্রয়োজনীয় ঔষুধি গুণাগুন রয়েছে।

ক্যান্সার প্রতিরোধ করেঃ শাপলাতে রয়েছে গ্যালিক এসিড এনজাইম। শাপলার এসকল উপাদান ক্যানসার প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।

রক্ত সঞ্চালন করেঃশাপলাতে রয়েছে ফ্লেভনল গ্লাইকোসাইড। এই উপাদান মস্তিষকে রক্ত সঞ্চালনে সাহায্য করে ফলে মাথা ঠাণ্ডা থাকে।

লাল শাপলার গুণাবলিঃলাল শাপলাতে এ্যালার্জী ও রক্ত আমাশয়ের জন্য বেশ উপকারী। শাপলা প্রধানত এ্যাসিডিটি, এ্যানেসথেসিক, সেরোটিক, ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন ধরনের মানসিক রোগে ব্যবহৃত হয়।








Leave a reply