জেনে নিন বট গাছের ঔষধি গুণাগুণ

|

বাংলাদেশের একটি অতি পরিচিত গাছ হচ্ছে এই বট। এটা গরমের দিনে মানুষকে যেমন ছায়া দেয় তেমন এর গুণাগুণও রয়েছে অনেক। বাংলাদেশের প্রায় সবজায়গায় এটি পাওয়া যায়। ঔষধার্থে বট গাছের ছাল, দুধ অর্থাৎ ক্ষীর , শুঙ্গ, অঙ্কুর, পাতা, ফল ইত্যাদি ব্যবহৃত হয়। বটের আঠা পা ফাটা সারায়। বটের ছাল দেহের মেদ কমায়। হাড় মচকে গেলে এর ছাল বেটে গরম করে মালিস করলে আরাম পাওয়া যায়। ভারতীয় উপমহাদেশসহ গোটা দুনিয়ায় ঔষধি ব্যবহার অনুসারে বট গাছের নান বৈচিত্র্য রয়েছে।আসুন আমরা বট গাছের উপকারিতা সম্পর্কে জেনে নিই :

পা ফাটা রোগে : অনেকের পা ফাটে , শীতে আবার বেশি ফাটে,বেদনা হয় এমনকি রক্তপাত হয়, এই অবস্থায় বটের আঠা পায়ের ধারে বা গোড়ালীতে লাগাবেন, পা ফাটা কমে যাবে।

দেহের মেদ কমাতে বটের ছাল ৫-৬ গ্রাম থেতো করে এক কাপ গরম পানিতে ভিজিয়ে রাখবেন আগের দিন রাত্রে। পরের দিন সকালে ছেঁকে নিয়ে ‍দুই ভাগ করে সকালে ও বিকালে খাবেন দেহের মেদ কমে যাবে।

হাড় মচকে গেলে বটগাছের ছাল বেটে একটু গরম করে মচকানো জায়গায় প্রলেপ দিয়ে তার ওপরে ও নিচে একটা শক্তকিছু চাপা দিয়ে বেধে দিন। এই ভাবে পরপর কয়েকদিন দিবেন।

গা জ্বালায় অনেক সময় পিত্তাধিক্যবশত : গ্রীস্মকালে বসন্তকালে হাত পা জ্বালা করে। এই অবস্থা হলে ৫০-১০০ গ্রাম বটের ছাল এক লিটার পানিতে সেদ্ব করে ২৫০ গ্রাম অবশিষ্ট থাকতে নামিয়ে ভালোভাবে ন্যাকড়ায় ছেকে নিন। সেই গোসলের পানিতে মিশিয়ৈ গোসল করবেন এবং ঐ সেদ্ধ পানি এক কাপ রেখে দিবেন। এর থেকে ২-৩ চামচ করে দুধের সাথে মিশিয়ে খাবেন গা জ্বালা কমে যাবে।

নাক দিয়ে রক্তপাত বটের জুড়ি কুড়িও ছাল সব মিশিয়ে ১০ গ্রাম পরিমাণ নিয়ে চার কাপ পানিতে সিদ্ধ করুন। এককাপ থাকতে নামিয়ে ছেকে নিন। এবার সঙ্গে একটু দুধ মিশিয়ে খাবেন নাক দিয়ে রক্তপড়া বন্ধ হবে।








Leave a reply