ছারপোকার কামড়ে চুলকানি, মুক্তির উপায় জানুন

|

ছারপোকা এমন একধরণের কীট, যা রাতের ঘুম হারাম করতে অতুলনীয়। যাদের বাড়িতে ছারপোকা বাসা বেঁধেছে তারাই জানেন এর যন্ত্রণা। এটি যে সুধু বিছানা বালিশ কেটে নষ্ট করে তাই ই নয়। মানুষকেও কামড়ায়। এর কামড়ে ত্বক নষ্ট হয়ে যেতে পারে। আর ছারপোকার কামড়ের দাগ সহজে উঠতে চাই না। হতে পারে চুলকানি, র‍্যাশ সেখান থেকে ইনফেকশন।
ছারপোকা যাদের বাসাতে আছে তারা সচেতন হোন। নিয়মিত ব্যবহার্য কাপড়-চোপড়, বিছানাপত্র ও ঘর পরিষ্কার রাখুন, ঘরে পর্যাপ্ত সূর্যের আলো প্রবেশ করতে দিন। ঘরের স্যাঁতস্যাঁতে ভাব দূর করুন। হাতের কাছেই রয়েছে এই পোকার কামড়ের কারণে চুলকানি থেকে রক্ষা পাওয়ার উপায়। চিকিৎসকদের পরামর্শ, এই পোকা কামড়ালে প্রথমে জীবাণুনাশক সাবান ও পানি দিয়ে ধুয়ে তারপর প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করতে হবে। তবে আরো কিছু প্রাকৃতিক উপায় আছে। জেনে নিন সেগুলো-

কলার খোসা
কলার খোসায় রয়েছে ক্যারোটেনয়েডস, পলিফেনলস নামক ভেষজ উপাদান। যা ছারপোকার কামড়ের জ্বালাপোড়া ও চুলকানি কমাতে সহায়তা করে। কলার খোসার ভেতরের অংশ কামড়ানো স্থানে ঘষে নিন। দিনে তিন চারবার এই পদ্ধতিটি ব্যবহার করতে পারবেন।

দারুচিনি ও মধু
প্রাকৃতিক প্রদাহরোধী উপাদান হিসেবে দারুচিনি এবং মধু দুটিই খুব পরিচিত। এগুলো ত্বকে আর্দ্রতা যোগায়। দারুচিনি একটু গুঁড়া করে নিন। এবার খানিকটা মধুর সঙ্গে মিশিয়ে ছারপোকার কামড়ানো স্থানে লাগিয়ে রাখুন। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন। প্রতিদিন তিন থেকে চারবার পেস্টটি প্রয়োগ করতে পারেন। এতে চুলকানি কমবে। সেইসঙ্গে সংক্রমণের আশঙ্কাও থাকবে না।

টুথপেস্ট
টুথপেস্টে থাকা মেনথল ত্বকে একটা ঠান্ডা অনুভূতি দেয়। এতে জ্বালাপোড়া ও চুলকানি কমে যাবে। কামড়ানো স্থানে ১০ মিনিট টুথপেস্ট মাখিয়ে রেখে ধুয়ে ফেলুন। এভাবে প্রতিদিন তিন থেকে চারবার টুথপেস্ট মাখাতে হবে।

মাউথওয়াশ
এতে থাকা ইথানল জীবানুনাশক উপাদান হিসেবে কাজ করে। যা সংক্রমণ দূর করতে সহায়ক। তুলার বল মাউথওয়াশে ডুবিয়ে কামড়ানো অংশে লাগিয়ে নিন। দ্রুত উপকার পেতে নিয়মিত এই কাজটি করুন।

লবণ
লবণ প্রাকৃতিক ব্যাকটেরিয়ানাশক। যা ছারপোকার কামড় থেকে হওয়া র‌্যাশ ও প্রদাহ সারাতে সাহায্য করে। কামড়ানোর জায়গায় লবণ ঘষলে ব্যথা ও জ্বালাপোড়া থেকে দ্রুত উপকার পেতে পারেন। দিনে তিনবার লবণ এভাবে আক্রান্ত স্থানে ব্যবহার করুন।








Leave a reply