ঘরোয়া উপায়ে দূর করুন সিস্টিক ব্রণ

|

অনেকেই আছেন সিস্টিক অ্যাকনিতে ভোগেন। বিশেষ করে গ্রীষ্মপ্রধান দেশের মানুষের এই সমস্যা বেশি দেখা যায়। সিস্টিক অ্যাকনি পুরো মুখে ছড়িয়ে পড়ে এবং বেশ ব্যথাও করে। এ থেকে মুক্তি পেতে ডাক্তার, ওষুধ, বাজারের কেমিকেলযুক্ত পণ্য। কত কিছুই না করেন। তাতেও খুব একটা ফল মেলে না।
তৈলাক্ত ত্বকে সিস্টিক অ্যাকনি বেশি দেখা যায়। এই ধরনের ব্রণ মুখের সৌন্দর্য নষ্ট করে। অনেকেই ভাবতে পারেন সিস্টিক অ্যাকনি কেন হয়? মুখে ব্রণ হওয়ার প্রধান কারণ হল ব্যাকটিরিয়ার উপদ্রব এবং ত্বকের বন্ধ ছিদ্র। সিস্টিক অ্যাকনি এই দুই কারণেই হয়। ত্বকের ছিদ্রগুলো ডেড স্কিন, ধুলা-ময়লার কারণে বন্ধ হয়ে গেলে মুখে ব্রণ হয়। অতিরিক্ত বুজে যাওয়ার কারণে ত্বকে তেল আসতে থাকে, যার ফলে ব্যাকটিরিয়া আক্রান্ত হয়ে যায়। অতিরিক্ত ঘাম হওয়ার কারণেও ব্রণ হয়।

অতিরিক্ত স্ট্রেস, মিষ্টি এবং তৈলাক্ত খাবার খাওয়ার কারণেও সিস্টিক অ্যাকনি হয়। তবে ঘরোয়া কিছু উপায় আছে। যেগুলোতে এই ধরণের ব্রণ দূর করা সম্ভব। জেনে নিন কয়েকটি পদ্ধতি-

ত্বকে বরফ ঘষলে ত্বকের নানান সমস্যার সমাধান হয়। যেমন – ফোলাভাব ও ত্বকের লালচে ভাব কমে, এমনকি সিস্টিক অ্যাকনির ব্যথা থেকেও মুক্তি দেয়।

সংক্রামিত ত্বকের জন্য হলুদ একটি শক্তিশালী প্রাকৃতিক প্রতিকার। হলুদে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি বৈশিষ্ট্য রয়েছে। যা ত্বককে সুরক্ষিত রাখে এবং ব্যথা বা প্রদাহ থেকে মুক্তি দেয়। হলুদে অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল এবং অ্যান্টিসেপটিক বৈশিষ্ট্যও রয়েছে। যা ত্বককে পরিষ্কার রাখতে সহায়তা করে।

টি ট্রি অয়েল ব্যবহার করতে পারেন। এতে রয়েছে শক্তিশালী অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য। যা ব্রণজনিত ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়াগুলোর বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারে এবং ত্বক পরিষ্কার রাখে। এই তেলের অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি বৈশিষ্ট্য সিস্টিক অ্যাকনির ব্যথা এবং প্রদাহকে দূরে রাখে।

এছাড়া অ্যাসপিরিন ট্যাবলেট ব্যবহার করতে পারেন। একটি অ্যাসপিরিন ট্যাবলেট এক চা চামচ পানির সঙ্গে মিশিয়ে রাতে ব্রণের উপর লাগিয়ে রাখুন। সকালে ধুয়ে নিন। অ্যাসপিরিনে অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি বৈশিষ্ট্য রয়েছে। যা সিস্টিক অ্যাকনির ব্যথা এবং প্রদাহ দূর করতে সহায়তা করে।








Leave a reply