ক্যাফেইন নিয়ে আর দুশ্চিন্তা নয়,চলে এসেছে গ্রিন কফি

|

কফি ছাড়া দিন শুরু করাটা অনেকের কাছেই অসম্ভব বিষয়। কিন্তু এর ক্যাফেইন আর ক্যালোরির কথা ভেবেও তো দুশ্চিন্তা হয়। তাই বলে কি কফি খাবেন না? সমস্যা মিটতে পারে যদি বেছে নেন এক কাপ গ্রিন কফি। এটা থাকলে কফির আর স্বাস্থ্য বিষয়ে দীর্ঘ দিন ধরে চলে আসা বিতর্ক আর মাথায় নিতে হবে না।  

গ্রিন কফি নিয়ে তাই গবেষণায় মন দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এটা আসলে কাঁচা এবং না ভাজা কফি বিন। কয়েকজন গবেষক দেখিয়েছেন, গ্রিন কফি ওজন কমাতে দারুণ সহায়ক। নতুন এই গবেষণার ওপর ভিত্তি করে নতুন একটি ব্র্যান্ডও এগিয়ে যাচ্ছে বাজারে। এর নাম গ্রিনব্রিউ। এরা কফি ইন্ডাস্ট্রিতে বিল্পব ঘটিয়ে দেবে বলেই সবাই বিশ্বাস। গ্রিন কফি বেশ কয়েকটি উপকারিতার কথা তুলে ধরছে তারা।

যেমন- 

১. এতে আছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। স্বাস্থ্যের সার্বিক দিক বিবেচনায় রাখে।  

২. টাইপ ২ ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণেও সফল সবুজ কফি। এটা থেকে রক্তে সামান্য পরিমাণ চিনি যায়। এতে ওজন কমে।  

৩. দেহের ক্ষতিকর কোলেস্টেরল বা এলডিএল এর মাত্রা হ্রাস করে গ্রিন কফি। এলডিএল কিন্তু হৃদরোগের বড় কারণ।  

৪. রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণেও বেশ কাজের এই কফি। ফলে স্ট্রোক, হার্ট ফেউলুওর এবং ক্রনিক রেনাল ফেউলুওরের ঝুঁকি কমায়।  

৫. দেহের বিপকক্রিয়া সুষ্ঠু ও কার্যকর করে তোলে গ্রিন কফি। এটা বাসাল মেটাবলিক রেট (বিএমআর) বৃদ্ধি করে। এতে করে লিভার থেকে রক্তে গ্লুকোজ নিঃসরণের মাত্রা অনেক নিয়ন্ত্রণে থাকে।  

৬. গ্রিন কফিতে ভিটামিন আর খনিজের কোনো অভাব নেই। তাই দেহে পুষ্টি উপাদানের ঘাটতি দেখা দেবে না।  

৭. এটা প্রচলিত কফির চেয়ে অনেক ভালো। আমরা এখন যে কফি খায় তাতে ৭-৯ শতাংশ ক্যাফেইন থাকে।








Leave a reply