ক্যান্সার দমনে আয়ুর্বেদিক তেলের ব্যবহার

|

আয়ুর্বেদ বিশ্বে ওষুধের প্রাচীনতম ব্যবস্থা। আমাদের প্রজন্মের কাছে অবাক করার বিষয় হল, যে রোগটি খুব কমই শোনা যেত এবং পুরনো মানুষদের মধ্যে দেখা যায়, তার চিকিৎসাতেও আয়ুর্বেদিক পদ্ধতিতে চিকিৎসা করা হয়। বিশেষজ্ঞরা যেমন বলছেন, ক্যান্সার দমনে তিনটি আয়ুর্বেদিক তেল বেশ কার্যকর…
মানুষের জীবনে শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে অপরিহার্য তেল ব্যবহার করাছে। এই তেলগুলো স্বাস্থ্য থেকে সৌন্দর্যের জন্য খুবই কার্যকর বলে প্রমাণিত হয়েছে। এমনকী অনেক রোগের গুরুতর অবস্থাতেও তাঁরা রোগীকে নতুন জীবন দেওয়ার কাজ করেন।

আয়ুর্বেদ নিজের মধ্যে অনেক চিকিৎসা চর্চার কথা বলেন। সুগন্ধ থেরাপি এর একটি অংশও বটে। সুগন্ধ থেরাপির সময় স্বাভাবিকভাবেই উদ্ধার হওয়া তেলের মাধ্যমে এই রোগ নির্মূল করার কাজ করা হয়।
প্রয়োজনীয় তেল চিকিৎসা ক্ষেত্রে ওষুধ তৈরি করতে, প্রসাধনী দ্রব্য, সুগন্ধি, সাবান ও অন্যান্য ঘর ধরে জিনিস তৈরি করতে হয় ।

তেল অনেক বেশি কার্যকর কারণ তার ভিতর উদ্ভিদ নির্যাস আছে। অর্থাৎ, এই তেলগুলি তাদের প্রাকৃতিক রূপে উদ্ভিদ থেকে সরাসরি পাওয়া যায় এবং কোন রাসায়নিক বা কোন ভেজাল থাকে না ।
২০১৩ সালে শুরু হয় একটি গবেষণা, যা ক্যান্সারের উপর সুগন্ধ থেরাপির প্রভাব খুঁজে বের করার চেষ্টা করে। গবেষণা থেকে জানা গেছে, কার্সিনোজেনিক রোগ প্রতিরোধে এবং ক্যান্সারের সুযোগ না দিতে সুগন্ধ থেরাপি খুবই কার্যকর ।

প্রাচীন আয়ুর্বেদিক সুগন্ধ থেরাপি ও মর্ডেন কেমোথেরাপির মাধ্যমে রোগীর চিকিৎসা করে দ্রুত এই রোগ নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। একই সঙ্গে তাঁর জীবনযাত্রার মানও বাড়ানো যেতে পারে।
ক্যান্সারের উপর এসেনশিয়াল অয়েলের ট্রায়াল চলাকালীন জানা গেল, মৌরি, ল্যাভেন্ডার এবং লেদঘাসের তেলের সুগন্ধ থেরাপি ক্যানসার রোগীর অবস্থার উন্নতিতে খুবই কার্যকরী।








Leave a reply