ক্যানসার রোধী ১২ খাবার

|

ক্যানসার বিশ্বব্যাপী মৃত্যুর একটি প্রধান কারণ। ২০৩০ সালে আনুমানিক ১কোটি ২০ লাখ মানুষ ক্যান্সার রোগে মারা যেতে পারেন বলে গবেষণায় উঠে এসেছে। পুরুষদের মধ্যে সাধারণ ক্যান্সারগুলি হচ্ছে ফুসফুস, পেট, লিভার, কোলোরেক্টাল এবং প্রোস্টেট ক্যান্সার।

নারীদের সাধারণত স্তন ক্যান্সার, ফুসফুস, পেট, কোলোরেক্টাল এবং সার্ভিকাল ক্যান্সার হয়ে থাকে। গবেষণায় দেখানো হয়েছে যে, ভারতে দুই তৃতীয়াংশ ক্যান্সারের ক্ষেত্রে কারণ হিসেবে উঠে এসেছে লাইফস্টাইল।

কিছু খাবার আছে যেগুলো ক্যান্সার কোষের বিস্তারে বাধাদান করে। এগুলো স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারী। ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্যকারী ১২ টি খাবার নিচে দেওয়া হলো-

হলুদ: এর মূল উপাদান কারকুমিন অ্যান্টি-প্রদাহ, অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট এবং এন্টি-কার্সিনোজেনিক উপকরণে সমৃদ্ধ।

টমেটো: লিকোফিন নামক একটি লাল ফাইটোকেমিক্যাল সমৃদ্ধ হল টমেটো। এটি প্রস্টেট, ফুসফুস, স্তন এবং এন্ডোম্যাট্রিয়াল ক্যান্সারের ঝুঁকি হ্রাস করে।

বেরি: স্ট্রবেরি এবং রাস্পবেরি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ভিটামিন সি- তে সমৃদ্ধ এবং এতে আছে ফাইটোকেমিকেল অ্যালগনিক এসিড যা ত্বক, ফুসফুস, ব্লাডার, খাদ্যনালী এবং স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়।

বেগুনি, লাল এবং নীল রঙের ফল ও সবজি: অ্যানথোসিনিন নামের ফাইটো ইউট্রিয়েন্ট থাকে এতে যা একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। স্ট্রবেরি, ক্র্যানবেরি, ব্ল্যাকবেরি, লাল বাঁধাকপি, বেগুনি আঙ্গুর, টমেটো, ডালিম ইত্যাদি ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করতে সাহায্য করে।

সাইট্রাস ফল: কমলালেবু, লেবু, মৌসম্বী প্রভৃতি ফলে শ্বাসনালীর ক্যান্সারের ঝুঁকি হ্রাস পায়।

ব্রোকলি: ব্রোকলি এবং ফুলকপি, বাঁধাকপি গ্লুকোসিনোলোটস নামে শক্তিশালী ফাইটোকেমিকেলস সমৃদ্ধ যা প্রোস্টেট, ফুসফুস, কোলন, স্তন, ব্লাডার, লিভার, মুখ প্রভৃতির ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়।

রসুন: রসুনের মধ্যে থাকা সালফার যৌগ এবং অ্যালিয়াম পরিবারের অন্যান্য সবজির মধ্যেকার সালফার যৌগ পাকস্থলী, খাদ্যনালী, কোলন, অগ্ন্যাশয় এবং স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়।

গাজর এবং বেল পেপার: গাজরে আছে বিটা-ক্যারোটিন নামক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধির গতি কমায়। গাজরে থাকা অন্যান্য ফাইটো কেমিকেল গর্ভাশয়ের ক্যান্সার সহ বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সারের ঝুঁকি কমিয়ে দেয়।

সবুজ পাতা ও শাকঃ পালং শাকে থাকে লিউটিন, জেক্সানথিন এবং ক্যারোটিনয়েড রয়েছে যা বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে পারে।

সমগ্র শস্য: এইগুলি ফাইবার এবং জৈব উপাদান লিগন্যাসে সমৃদ্ধ যা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসাবে কাজ করে।

বীন: ফাইবারে সমৃদ্ধ বীন এবং কোলোরেক্টাল ক্যান্সারের বিরুদ্ধে সুরক্ষা যোগায়।

বাদাম ও বীজ: এই ফাইবার, ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, ভিটামিন এবং সেলেনিয়াম মত খনিজ এবং অনেক ফাইট কেমিকেল থাকে বাদামে ও বীজে যা ক্যান্সার কোষের বিরুদ্ধে আমাদের প্রতিরক্ষা জোরদার করে।

সূত্র : এনডিটিভি।








Leave a reply