কিডনি রোগের লক্ষণগুলো জেনে নিন-

|

গত কয়েক বছরে কিডনিজনিত রোগের কারণে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েছে। লোকেরা প্রায়ই কিডনির সমস্যার লক্ষণগুলি বুঝতে পারে না। যখন সমস্যা খুব বেশি হয় এবং বেঁচে থাকার সম্ভাবনা খুব কম থাকে তখন সবাই ডাক্তারের কাছে যায়।

আসলে কিডনি আমাদের দেহে পরিষ্কারের কাজ করে। এগুলি ময়লা অপসারণ ব্যবস্থার একটি খুব গুরুত্বপূর্ণ অংশ। উভয় কিডনিতেই রক্ত পরিষ্কার হয়। আমাদের দুটি কিডনিতে লক্ষ লক্ষ ছোট ফিল্টার রয়েছে, যাকে নেফ্রন বলে। নেরোফেনস আমাদের রক্ত পরিষ্কার করার জন্য কাজ করে।
কিডনিতে এই ক্লিনজিং সিস্টেমের কারণে ক্ষতিকারক পদার্থ প্রস্রাবের সাথে আমাদের শরীর থেকে বেরিয়ে আসে। কিডনির অন্যান্য কার্যক্রমে লাল রক্তকণিকা গঠন এবং উপকারী হরমোন নিঃসরণ অন্তর্ভুক্ত। রক্তচাপ কিডনি দ্বারা নির্গত হরমোন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় এবং হাড়ের জন্য ভিটামিন ডি তৈরি হয়।

সুস্থ কিডনি অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে থাকে। কিডনি শরীর থেকে বর্জ্য পদার্থ ও অতিরিক্ত তরল বাহির করে দেয়, লাল রক্ত কণিকা তৈরি করে, হাড়কে শক্তিশালী করে এবং খনিজ লবণের ভারসাম্য রক্ষা করে। শুষ্ক ও ফেটে যাওয়া ত্বক খনিজ ও হাড়ের অসুখের জন্য ও হতে পারে যা অ্যাডভান্স কিডনি রোগের সহগামী হিসেবে থাকতে পারে যখন কিডনি রক্তের পুষ্টি উপাদান ও খনিজ লবণের ভারসাম্য রক্ষা করতে পারেনা। কিডনি রোগের লক্ষণগুলো:-

ঘন ঘন প্রস্রাব করা

যদি আপনার প্রায়ই মূত্রত্যাগের প্রয়োজন হয় বিশেষ করে রাতের বেলায় তাহলে এটা কিডনি রোগের লক্ষণ। যখন কিডনির ছাঁকনি গুলো নষ্ট হয়ে যায় তখন প্রস্রাবের বেগ বৃদ্ধি পায়। ঘন ঘন মূত্রত্যাগ ইউরিন ইনফেকশনের ও লক্ষণ হতে পারে, পুরুষের ক্ষেত্রে প্রোস্টেট গ্লেন্ড বড় হয়ে গেলেও এই উপসর্গ দেখা দেয়।

প্রস্রাবের সাথে রক্ত গেলে

সুস্থ কিডনি সাধারণত ব্লাড সেল গুলোকে শরীরের ভিতরে রেখে রক্ত থেকে বর্জ্য পদার্থ মূত্র হিসেবে বাহির করে দেয়। যখন কিডনি ক্ষতিগ্রস্থ হয় তখন ব্লাড সেল বাহির হতে শুরু করে। প্রস্রাবের সাথে রক্ত যাওয়ার এই লক্ষণটির কিডনি রোগের সাথে সাথে টিউমার, কিডনি পাথর বা ইনফেকশনেরও ইঙ্গিত হতে পারে।








Leave a reply