কর্পূর তেলের ৮টি সুবিধা জেনে নিন

|

অ্যান্টিবায়োটিক এবং অ্যান্টিফাঙ্গাল বৈশিষ্ট্যের কারণে কাপুর স্বাস্থ্য এবং সৌন্দর্যের জন্যও খুব উপকারী। আপনি যদি এটি আপনার প্রসাধনীগুলিতেও যুক্ত করেন তবে আপনার অনেক সমস্যার সমাধান হবে। কাপুর যত বেশি উপকারী, তত দামি কর্পুর তেল।
যদিও কর্পূর তেল বাজারে পাওয়া যায় তবে এটি খুব সহজেই ঘরে তৈরি করা যায়। বাড়িতে এটি তৈরির জন্য নারকেল তেলে কয়েক টুকরো কর্পূর রেখে ভালো একটা পাত্রে ভরে নিন। এই নারকেল তেল কর্পুরের উপাদানগুলিকে শোষণ করবে।

এখন এর ৮ টি সুবিধা জেনে নিন-

১. ত্বকে কর্পূর তেল লাগিয়ে ফোঁড়া ও ফুসকুড়ি নিরাময় করা যায়। এটি কেবল দাগ কমায় না, এটি ত্বকের পুরানো ব্রণের দাগও মূল থেকে সরিয়ে দেয়।

২. একটি টবে হালকা গরম পানি নিন এবং এতে সামান্য কর্পূর তেল দিন। এবার এতে আপনার পা ডুবিয়ে কিছুক্ষণ বসে থাকুন। এটি আপনার গোড়ালি পরিষ্কার করবে এবং গোড়ালির সমস্যা খুব শীঘ্রই সুস্থ নিরাময় হবে। আপনার যদি পায়ে কোনও সংক্রমণ বা ছত্রাক হয় তবে এটা করলে ছত্রাক দূর হবে এবং ব্যথা উপশম হবে।

৩. চুলে কর্পূর তেল লাগিয়ে চুল দ্রুত বাড়তে শুরু করে, শক্তিশালী হয় এবং পড়া বন্ধ হয়। এর জন্য দইয়ের মধ্যে কর্পুর তেল মিশিয়ে চুলের গোড়ায় লাগান এবং আধা ঘন্টা পর চুল ধুয়ে নিন।

৪. ত্বকে যদি কোনও পোড়া বা কাটা চিহ্ন থাকে, এমনকি সেই অংশে কর্পূর তেল প্রয়োগ করলে দাগগুলি হালকা হয়ে যায়।

৫. কর্পূর যে কোনও ধরণের ত্বকের সমস্যা, ত্বক পরিষ্কার করতে, স্বাস্থ্যকর এবং ত্বক মসৃণ করতে সহায়তা করে।

৬. কর্পুরের এই তেল অভ্যন্তরীণ ব্যথায় এমনকি একটি গুরুত্তপূর্ণ ঔষধী হিসাবে কাজ করে। যদি শরীরের কোনও অংশে ব্যথা হয় তবে এই কর্পূর তেলের হালকা করে সেই জায়গায় ম্যাসাজ করলে ব্যথা উপশম হয়।

৭. চাপ কমাতে কর্পূর তেল উপকারী। এটি কপালে লাগানো বা চুলে ম্যাসাজ করলে খুব ভালো হয়।

৮. চুল পড়া বা খুশকির সমস্যা থাকলে কর্পূর তেল দিন। এই দুটি সমস্যাই সমাধান হয়ে যাবে, চুলও বাড়বে।








Leave a reply