কফির উপকারিতা

|

শরীরে প্রাকৃতিক ওষুধ হিসেবে কাজ করে কফি। একটি গবেষণার ফলাফল অনুযায়ী, নিয়মিত কফি খেলে নানা ধরনের রোগবালাই থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। বর্তমানে বাংলাদেশের পাহাড়ি এলাকায় কফি চাষের চেষ্টা চলছে। আসুন জেনে নেই, কফির উপকারিতাগুলো-

শক্তি যোগায়
শারীরিক অবসাদ দূর করার জন্য মোক্ষম পানীয় কফি। শরীর মন চাঙ্গা করতে এক কাপ গরম কফির বিকল্প নাই। কফিতে থাকা উপাদানের নাম ক্যাফেইন। ক্যাফেইন শরীরে উদ্যম ও উৎসাহ তৈরি করে। তাই খেলাধুলা কিংবা কঠিন কাজ করার আগে কফি খেলে উপকার পাবেন।

ওজন কমে
ওজন কমাতে নির্ভর করতে পারেন কফির ওপর। কফি ফ্যাট কমাতে সাহায্য করে এবং কর্মক্ষমতা বাড়ায়। সকালে জিম শুরু করার আগে এক কাপ ব্ল্যাক কফি খেলে শরীরের ক্যালরি ক্ষয় হয়। ফলে ওজন কমে।

কর্মক্ষমতা বাড়ে
কফি কর্মক্ষমতা বাড়ায়। ক্যাফেইন রক্তের এপিনেফ্রিন বাড়িয়ে তোলে। ফলে কাজে উদ্যম বেড়ে যায়।

ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমে

কফি ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায় ২৩ থেকে ৬৭ শতাংশ পর্যন্ত। জটিল এই রোগের ঝুঁকির হাত থেকে বাঁচতে কফি খান নিয়মিত।

যকৃত সুরক্ষায়
শরীরের কাজ পরিচালনায় যকৃতের ভূমিকা অপরিসীম। যারা দৈনিক চার কাপের বেশি ব্ল্যাক কফি পান করেন তাদের যকৃতের সমস্যা হওয়ার ঝুঁকি ৮০ ভাগ কমে যায়। কফি রক্তে যকৃতের ক্ষতিকর এনজাইম কমাতে সাহায্য করে।

হতাশা কমিয়ে প্রশান্তি আনে
মানসিক চাপে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন অনেকেই। কি করবেন বুঝতে পারেন না। তখন এক কাপ কফি মানসিক ও শারীরিক প্রশান্তি দেবে। ফলে চাপের কারণে যেসব রোগ দানা বাঁধে শরীরে সেগুলো প্রতিরোধে সাহায্য করে কফি।

ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়
স্কিনক্যান্সারের প্রতিরোধক হিসেবেও বেশ কার্যকরী কফি। ন্যাশনাল ক্যান্সার ইনস্টিটিউটের একটি গবেষণাপত্রে সম্প্রতি বেরিয়েছে প্রতিদিন কফি পান করলে সেটা শরীরে ম্যালিগন্যান্ট মেলানোমা তৈরিতে বাধা দেয়। ফলে ত্বক রক্ষা পায় ক্যান্সারের হাত থেকে।

স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়
নিয়মিত ব্ল্যাক কফি পান করলে অস্থায়ীভাবে রক্তচাপ বাড়লেও আবার ঠিক হয়ে যায়। দৈনিক দুই কাপ ব্ল্যাক কফি পান করলে স্ট্রোকসহ হৃদযন্ত্রের অন্যান্য সমস্যার ঝুঁকি অনেকাংশে কমে যায়।








Leave a reply