ওজন কমানোর খাদ্যভ্যাস

|

ওজন কমানোর জন্য সকালবেলাকেই সবচেয়ে ভাল সময় বলে মনে করা হয়। কারণ দিন যত এগোতে থাকে বিপাকক্রিয়াও তত ধীরগতি হতে থাকে। দিনের একেবারে শুরুতে অর্থাৎ সকালবেলা বিপাকের হার থাকে সর্বোচ্চ। এর মানে হল এইসময় আপনি যাই খান না কেন দ্রুত হজম হয়ে শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ওজন কমানোর চেষ্টায় থাকলে নির্দিষ্ট কিছু বিষয় সবার মনে রাখা উচিত।যেমন- পরিশোধিত কার্বোহাইড্রেট এবং সোডা জাতীয় খাবার খাদ্যতালিকা থেকে বাদ দিতে হবে। সেই সঙ্গে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় তাজা এবং মৌসুমি ফল রাখলে তা ওজন কমাতে সহায়ক হবে।

সকালের খাবারে যেসব রাখলে ওজন কমতে সহায়ক হবে-

১. সকালে খালি পেটে হালকা গরম পানিতে লেবু আর মধু মিশিয়ে খান। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ এই মিশ্রণটি বিপাকে সাহায্য করে। সেই সঙ্গে হজম প্রক্রিয়া ঠিক রাখতেও কাজ করে।

২. সকালের নাস্তায় পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রোটিন রাখুন। ওজন হ্রাস করতে খাবারে প্রোটিন খুবই দরকারী। এটি ক্ষুধা কমানোর হরমোনের মাত্রা বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে। এ কারণে ক্ষুধা কম পায়। সকালের নাস্তায় সেরা প্রোটিন হচ্ছে ডিম এবং ওটমিল। এছাড়া কলা, দই –এগুলো খেতে পারেন।

৩. ফাইবার ভাঙতে এবং হজম হতে দীর্ঘ সময় লাগে। এ জন্য পেট ভরা থাকে, ক্ষুধা কম বোধ হয়। দুপুরে ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার খান। ফল,শস্যদানা, মুগ ডাল ফাইবারের ভাল উৎস।

৪. পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি খান। এটি উচ্চ ক্যালরির পানীয় বা অতিরিক্ত ক্যালরি খাওয়া এড়াতে সাহায্য করে। নিয়মিত পানি খেতে থাকলে পেট ভরা থাকে। যদি পানির একঘেয়ে স্বাদ খারাপ লাগে তাহলে ফল খেতে পারেন।

৫. খুব বেশি চিনি চর্বি কোষ হিসাবে সংরক্ষিত হয়ে যায়। এ কারণে খুব বেশি চিনিযুক্ত খাবার খাওয়া ঠিক নয়। একান্তই মিষ্টি খেতে হলে গুড় বা মধু খান। কৃত্রিম মিষ্টি এড়িয়ে চলাই ভাল।








Leave a reply