অতিরিক্ত ধূমপানের কারণে ঠোঁট কালো হয়ে গেছে? জানুন সমাধান

|

অতিরিক্ত ধূমপান করা স্বাস্থ্যের পক্ষে মোটেও উপকারী নয়। ধূমপান ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়। এছাড়া অতিরিক্ত ধুমপানের কারণে ঠোঁটের রঙও বদলে যায়। স্বাভাবিক সৌন্দর্য হারিয়ে লাল ঠোঁটে কালো আবরণ পড়ে যায়।
এই কালো ঠোঁট নিয়ে অনেককেই বিপাকে পড়তে হয়। তবে কয়েকটি ঘরোয়া টোটকা ব্যবহার করলেই ফিরে পাওয়া সম্ভব ঠোঁটের স্বাভাবিক রং। চলুন জেনে নেয়া যাক সেই ঘরোয়া উপায়গুলো সম্পর্কে-

গ্লিসারিন ও পাতিলেবু

ময়শ্চারাইজ করার জন্য গ্লিসারিন খুব উপকারী। লেবু স্বাভাবিক স্ক্রাবার। আর যখন এই দু’টি উপাদান একসঙ্গে কাজ করবে তখন ম্যাজিকের মতো কাজ করে। তাই এই প্যাকটি বাড়িতে তৈরি করে দেখতে পারেন। গ্লিসারিন ও পাতিলেবু একসঙ্গে মিশিয়ে ঠোঁটে লাগিয়ে রাখুন। কয়েক মিনিট রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে দিন।

চিনি ও পাতিলেবুর রস

কালো ঠোঁটে রং ফেরানোর আরো একটি উপায়ও রয়েছে। এক চামচ চিনির মধ্যে কয়েক ফোঁটা পাতিলেবুর রস দিন। এটি ঠোঁটে লাগিয়ে দিন। কয়েক মিনিট এভাবে স্ক্রাব করুন। এরপর পানি দিয়ে ঠোঁট ধুয়ে ফেলুন।

বীটরুট প্যাক

বীট ঘষে তার রস লাগান ঠোঁটে। গোলাপি রং ফিরে আসবে। এছাড়া ঠোঁটের ফাটা ভাব কমাতেও সাহায্য করে বীট। তবে শুধু বীটের রস ব্যবহার না করে তার সঙ্গে পাতিলেবুর রস মিশিয়েও ঠোঁটে মালিশ করতে পারেন। ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। বেশ কয়েকদিন এই প্যাক লাগালে ঠৌঁটের স্বাভাবিক রং ফিরে আসবে।

টুথব্রাশ

শুধু দাঁতের জন্য কিন্তু টুথব্রাশ নয়। আরো অনেক কাজে লাগে এটি। তার মধ্যে একটি হলো ঠোঁটের যত্ন। ঠোঁটে একটু পেট্রলিয়াম জেলি লাগিয়ে ব্রাশ দিয়ে হালকা করে ঘষুন। পাঁচ মিনিট প্রক্রিয়াটি চালিয়ে যান। এবার পানি দিয়ে ধুয়ে নিয়ে ফের পেট্রলিয়াম জেলি ব্যবহার করুন।

গবেষণায় দেখা গেছে সিগারেটের ধূমপানে নিকোটিনসহ ৫৬টি বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ বিরাজমান।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] ২০১০ খ্রিষ্টাব্দে প্রকাশিত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার উদ্যোগে বিশ্বের ১৯২টি দেশে পরিচালিত একটি গবেষণা প্রতিবেদনে জানানো হয়, নিজে ধূমপান না করলেও অন্যের ধূমপানের (পরোক্ষ ধূমপান) প্রভাবে বিশ্বব্যাপী প্রতিবছর প্রায় ৬,০০,০০০ মানুষ মারা যায়। এর মধ্যে ১,৬৫,০০০-ই হলো শিশু। শিশুরা পরোক্ষ ধূমপানের কারণে নিউমোনিয়া ও অ্যাজমায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর দিকে ঝুঁকে পড়ে। এছাড়া পরোক্ষ ধূমপানের কারণে হৃদরোগ, ফুসফুসের ক্যান্সার সহ শ্বাস-প্রশ্বাসজনিত রোগও দেখা দেয়। গবেষণায় এও বেরিয়ে এসেছে যে, পরোক্ষ ধূমপান পুরুষের তুলনায় নারীর উপর বেশি ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। পরোক্ষ ধূমপানের কারণে বিশ্বে প্রতিবছর প্রায় ৮১,০০০ নারী মৃত্যুবরণ করেন। এর আগে ২০০৪ খ্রিষ্টাব্দে পরিচালিত এজাতীয় আরেকটি গবেষণায় দেখা গিয়েছিলো যে, পরোক্ষ ধূমপানের শিকার হওয়া ব্যক্তিদের ৪০% শিশু, ৩৩% অধূমপায়ী পুরুষ এবং ৩৫% অধূমপায়ী নারী রয়েছেন। তাতে এও ফুটে ওঠে যে, পরোক্ষ ধূমপানের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির স্বীকার হচ্ছেন ইউরোপ ও এশিয়ার মানুষ।








Leave a reply