অকালে দাঁত পড়ছে? ঠেকানোর উপায় জানুন

|

‘দাঁত থাকতে দাঁতের মর্ম বোঝা যায় না’ এই প্রবাদ বাক্যের সঙ্গে আমরা সবাই পরিচিত। আমরা সবাই জানি প্রতিদিন অন্তত দু’বার দাঁত ব্রাশ করা জরুরি। এই নিয়ম মানলেও নানা কারণে দাঁত ও মাড়িতে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের ফলে অকালে দাঁতের ক্ষয়, মাড়িতে ব্যথা ইত্যাদি সমস্যা লেগেই থাকে।
একদিকে দাঁতের ক্ষয় নিয়ে দুশ্চিন্তার শেষ নেই! অথচ লোভোনীয় খাবারগুলোকে হাত ছাড়াও করা যাচ্ছে না, চিন্তার ভাঁজ আপনার কপালে। হরমোনের ভারসাম্যহীনতা, খাদ্য তালিকায় মিনারেল, ভিটামিন এ, ভিটামিন ডি-এর অভাব ইত্যাদি কারণে দাঁত ক্ষয়ের সমস্যা হয়। তাই খুব তাড়াতাড়ি দাঁত পরে যায়।

দাঁত পড়তে কোনো বয়স লাগেনা। যেকোনো বয়সেই দাঁত পড়তে পারে, আবার ৮০ বছরেও অনেকের দাঁত অটুট থাকে। সুস্থ থাকতে দাঁতের যত্ন নেয়া খুবই জরুরি। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক অকালে দাঁত পড়ে যাওয়া থেকে রোধ করার কয়েকটি সহজ উপায়-

প্রথমে মাড়িতে প্রদাহ হয়। পরে হাড়ের ক্ষয় করে এবং দাঁতটির পারিপার্শ্বিক প্রতিরক্ষা পুরোপুরি নষ্ট হয়ে যায়। ফলে দাঁতটি পড়ে যায়।

ফিলিং না করালে প্রদাহ দন্তমজ্জা অবধি ছড়িয়ে পড়ে। এ অবস্থায়ও রুট ক্যানেলের মাধ্যমে সুস্থ করা সম্ভব। তার পরও যদি চিকিৎসা না হয়। তবে দাঁতের একদম গোড়ায় পুঁজ জমে। পারিপার্শ্বিক টিস্যু ও হাড়ের ক্ষয় করে দাঁতের ভিত্তি নষ্ট করে ফেলে। দাঁতটি অকালে হারাতে হয়।

আঘাত পেয়েও দাঁত ভেঙে যেতে পারে। ক্রাউন বা মুকুটের অংশ পর্যাপ্ত টিকে থাকলে রুট ক্যানেল চিকিৎসা দিয়ে মুকুট করানো সম্ভব, তা না হলে দাঁতটি ফেলে দিতে হয়।

অসমান দাঁতের অবস্থানের কারণে যদি স্বাভাবিক দাঁতের অবস্থান বিঘ্নিত হয়। তবে আঁকাবাঁকা দাঁতকে সঠিক অবস্থানে নেয়ার জন্য দাঁত ফেলে দিতে হয়।

দীর্ঘদিনের দাঁতের ও মাড়ির প্রদাহের কারণে অন্যান্য রোগ নিয়ন্ত্রণে যদি সমস্যা হয়।(যেমন ডায়াবেটিস, হূদেরাগ, কিডনি রোগ, চোখের রোগ, নাক-কান-গলার রোগ, ক্যন্সার ইত্যাদি), তবে ওই বিশেষ একটি বা দুটি আক্রান্ত দাঁত ফেলে দিতে হয়।

আক্কেল দাঁত স্বাভাবিক অবস্থানে না উঠলে অনেক সময় তা ফেলে দিতে হয়।

অকালে দাঁত পড়ে যাওয়ার ঝুঁকিগুলো কী?

তামাকজাতীয় দ্রব্যের ব্যবহার- যেমন ধূমপান, সাদাপাতা, জর্দা, তামাক, খইনি বা গুল ব্যবহার।

অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস।

মাড়ির দীর্ঘমেয়াদি সমস্যা।

বিভিন্ন ওষুধের প্রতিক্রিয়া।








Leave a reply