মেডিকেল কোচিং করতে গিয়ে সুন্দরী প্রতিযোগিতায়

|

বিতর্কের আরেক নাম কঙ্গনা রনৌত। বলিউডে পা রাখার পর থেকে নানা কিছু নিয়ে আলোচনায় এই অভিনেত্রী। বলিউড ‘কুইন’খ্যাত এই নায়িকা সম্প্রতি আবার খবরের শিরোনাম হয়েছেন। তিনি বলিউডকে ‘এক উদ্ভট শব্দ, হলিউড থেকে চুরি করা একটা নকল জিনিস’ বলে মন্তব্য করেন। ‘বলিউডের অলিখিত নিয়ম হলো, তুমি আমার কুকর্ম গোপন রাখবে, আর আমি তোমার।’—এটিও বলিউড নিয়ে কঙ্গনার তুমুল বিতর্কিত একটি মন্তব্য। এসব নিয়ে তর্ক গড়িয়েছে সংসদেও।

যৌন হয়রানি বা মূলধারার রাজনীতি নিয়েও নিয়ম করে টুইটারে কথার ‘বোমা’ ফেলেন কঙ্গনা। সুশান্তের অপমৃত্যু, নেপোটিজম আর মাদক কেলেঙ্কারি নিয়ে নিয়মিত আলোচনায় ছিলেন তিনি। কিন্তু কঙ্গনার বলিউড ‘কুইন’ হওয়ার পেছনে আছে চমকে দেওয়া কিছু তথ্য, জেনে নেওয়া যাক সেসব সম্পর্কে।

ভালো ছাত্রী ছিলেন কঙ্গনা। মা–বাবা কঙ্গনাকে চিকিৎসক হওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছিলেন। এটা শুনেই পড়াশোনা থেকে মন উঠে গিয়েছিল কঙ্গনার। মাধ্যমিক পাস করে কঙ্গনা চণ্ডীগড়ে যান মেডিকেলের কোচিং করতে। কোচিং করা তো দূরের কথা, নাম লেখালেন একটা সুন্দরী প্রতিযোগিতায়। সেবার বিজয়ীর মুকুট উঠেছিল কঙ্গনার মাথায়ই। তখনই কঙ্গনা ঠিক করেন, তিনি ডাক্তারি পড়বেন না, মডেলিং করবেন। তারপর বিজয়মুকুট ব্যাগে পুরে বাড়ি ফিরে এলেন।

এসে মা–বাবাকে ডেকে তিনি জীবনে কী করতে চান, তা ভাবার জন্য এক বছর সময় চান। শুনেই বকাঝকা শুরু করেন কঙ্গনার বাবা। আর তখনই হাতের কাছে যা ছিল, সব নিয়ে বাড়ি থেকে সোজা চলে যান দিল্লি।

সেখানে গিয়ে কী করবেন কিছুই বুঝে উঠতে পারছিলেন না কঙ্গনা। থিয়েটারে ভর্তি হলেন, শিখছিলেন ফরাসি ভাষাও। সেই সময় কঙ্গনার অ্যাকাউন্টে ৫০ হাজার রুপি ছিল। পুরো টাকা দিয়ে একটা গাউন কিনে কঙ্গনা চলে গেলেন মুম্বাই—উদ্দেশ্য, বড় পর্দায় অভিনয় করা। তারপর গ্যাংস্টার ছবির জন্য অডিশন দিলেন।

পেয়েও গেলেন ছবিটা। তখন কঙ্গনার বয়স মাত্র ১৭ বছর। আর চরিত্রটা ছিল একটা মায়ের। কঙ্গনার গালে টোল পড়ে না। তাঁর কোঁকড়া চুল। বিদেশে শুটিংয়ে যাওয়ার জন্য নেই পাসপোর্ট। ইংরেজিও জানেন না ভালো করে। এসব দ্বিধায় ফেলে দিয়েছিল প্রযোজকদের। তবু ছবিটা পেলেন কঙ্গনা। আর প্রথম ছবিতেই সফলতার দেখা পান তিনি।

এখন কঙ্গনা জয়ললিতার বায়োপিক থালাইভির শুটিং শেষ করেছেন। চলছে ‘তেজস’ সিনেমার প্রস্তুতি।








Leave a reply