বাংলাদেশের সংগীত শিল্পী নোবেলকে বিচ্ছেদের নোটিস স্ত্রীর, পরকীয়ায় লিপ্ত নোবেল

|

দাম্পত্য যে চেনা ছন্দে চলছে না, তার ইঙ্গিত মিলেছিল আগেই। আর এবার সেই ইঙ্গিতই যেন মান্যতা পেল। বাংলাদেশের বিতর্কিত সংগীত শিল্পী মইনুল আহসান নোবেলকে (Mainul Ahsan Noble) বিচ্ছেদের নোটিস পাঠালেন স্ত্রী সালসাবিলা। বুধবার সোশ্যাল মিডিয়ায় বিচ্ছেদের কথা শেয়ার করেছেন খোদ সংগীতশিল্পীই। তবে বিচ্ছেদের নোটিসে তিনি মোটেও বিচলিত নন বলেই জানিয়েছেন।

পরিচয়ের মাসতিনেকের মধ্যে বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন নোবেল ও সালসাবিল। ২০১৯ সালের ১৫ নভেম্বর সালসাবিলের সঙ্গে বিয়ে হয় নোবেলের। তবে বিয়ের ৬ মাস কাটতে না কাটতেই সুখের সংসারে ফাটল ধরে। সালসাবিলের অভিযোগ, শুরু হয় অত্যাচার। এমনকী পরনারীর প্রতিও আকৃষ্ট হতে শুরু করেন নোবেল। প্রথমে পরিজনদের কিছুই জানাননি সালসাবিল। পরে যদিও নোবেলের সঙ্গে দাম্পত্য সম্পর্ক যে মোটেও সুখের নয় তা সকলেই জেনে ফেলেন। বছরখানেক আগেই নোবেলের বিরুদ্ধে গুলশন থানায় অভিযোগও দায়ের করেছিলেন সালসাবিল।

এরই মা্ঝে স্ত্রীর অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার খবর নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিতর্কিত পোস্ট করেন নোবেল। তাঁর দাবি, অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার খবর ফেসবুকে পোস্ট করার কিছুক্ষণের মধ্যেই সালসাবিল নাকি গর্ভপাতের হুমকি দেন। দেড় বছরের বৈবাহিক জীবনে খুব কম সময়ই সালসাবিল তাঁর সঙ্গে ছিলেন বলেও দাবি নোবেলের। তবে সেই সময় পোস্টে সংসার কোনওদিন হয়তো হবে বলেই আশাপ্রকাশ করেছিলেন বিতর্কিত সংগীত শিল্পী।

যদিও সংগীত শিল্পীর ভাবনার সঙ্গে মিলল না বাস্তব। সালসাবিলের দাবি, বছরের পর বছর মানসিক এবং শারীরিক নির্যাতন সহ্য করতে পারছেন না। তাই গত ১১ সেপ্টেম্বর বাধ্য হয়ে নোবেলকে বিচ্ছেদের নোটিস পাঠান তিনি। বিচ্ছেদের নোটিস পাওয়ার কথা সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেন নোবেল। ফেসবুক পোস্টে লেখেন, ‘ডিভোর্স’। বিচ্ছেদের নোটিস হাতে পেলেও মোটেও বিচলিত নন বলেই দাবি বাংলাদেশি গায়কের।








Leave a reply