স্বামী প্রচুর টাকার মালিক হয় মহিলাদের যে গুণগুলি থাকলে

|

হিন্দুধর্মে নারীদের মা লক্ষ্মী রূপে দেখা হয়। তাদের সঙ্গে জুড়ে থাকে সংসারের অর্থভাগ্য। যে ঘরে লক্ষ্মীর মতো স্ত্রীর বসবাস, সেই ঘরেই স্বয়ং মা লক্ষ্মী অবস্থান করেন।

কথায় বলে মেয়েরা কখনো বাবা মায়ের আপন হয়না। তাদের জন্মই হয় পরের ঘরে যাওয়ার জন্য। কিন্তু একথা ভুল। মে’য়েরা যেমন তার শ্বশুরবাড়ির লক্ষ্মী হয় তেমন তারা নিজের বাবার বাড়িতেও লক্ষ্মী হয়েই থাকে।

একটি মেয়ের উপর অনেক দায়িত্ব থাকে। আর সেই দায়িত্বের উপর নির্ভর করে মেয়েটির শুভ প্রভাব পড়ে তার সংসারে। কিন্তু তার সবথেকে বেশি প্রভাব পড়ে তার স্বামীর উপরে। যদি কোন পুরুষ কোন গুণবতী মে’য়েকে বিয়ে করে তাহলে ভাগ্য খুলে যায়।

আজকের এই প্রতিবেদনে নারীদের মধ্যে এমন কিছু বিশেষ গুন স’ম্পর্কে আম’রা বলতে চলেছি যার উপস্থিতিতে স্বামী সৌভাগ্যশীল হয়। এই গুন যার যার মধ্যে থাকে তাদের স্বামীর কখনো অর্থের অভাব হবেনা, সংসারে বাড়তে থাকে সুখ সমৃদ্ধি।

মনে করা হয় যে, যে সব মে’য়েরা পূজা অর্চনা করে থাকে এবং যাদের মনে ভগবানের জন্য ভক্তি থাকে তাদের উপর ভগবানের আশির্বাদ থাকে। আর তার প্রভাব পড়ে তার স্বামীর উপর।

তার স্বামীর কখনো ধন সম্পদের অভাব হয়না। তাদের স্বামী যে কাজই করুক না কেন তার সব কাজে সাফল্য আসে। তার সাথে তাদের দাম্পত্য জীবনও খুব সুখের হয়।

যে মে’য়েদের স্বভাব খুব শান্ত প্রকৃতির হয়, যে মে’য়ে খুব কঠিন পরিস্থিতিতেও নিজের মেজাজ না হারিয়ে সেই পরিস্থিতি সামলাতে পারে, সেইসব মে’য়েরা স্বামীর জীবনে সব সময় সুখ নিয়ে আসে। এই মে’য়েদের সংসারে সব সময় সুখ শান্তি বজায় থাকে। তাদের উপর সব সময় মা লক্ষ্মীর কৃপা থাকে।

মে’য়েদের মধ্যে দয়া বা করুনা থাকা খুব জরুরি। এরকম মে’য়ের স্বামী যে হয় সে সারাজীবন খুব সুখি হয়। গরীবকে কিছু দান করা মহিলার কখনো কোন অভাব হয়না। কারন তাদের উপর অনেক মানুষের আশির্বাদ থাকে।

যে সব মহিলারা বয়স্ক বাবা মা বা তার শ্বশুরবাড়ির বয়স্কদের সেবা করে, তাদের জীবনে কখনো ধন সম্পদের অভাব হয়না। তাদের উপর সব সময় গুরুজনদের আশির্বাদ থাকে। তাদের দাম্পত্য জীবন খুব সুখের হয় তাই তারা খুব খুশিতে থাকে।

যদি আপনি বিয়ের জন্য এরকম কোন মে’য়েকে বেছে থাকেন, তাহলে আপনি খুবই ভাগ্যবান। তাকে বিবাহ করলেই দেখবেন আপনার জীবন সুখে ভরে উঠবে। থাকবেনা জীবনে কোন অভাব।








Leave a reply