কৃষ্ণ গহ্বর গবেষণায় নোবেল পেলেন তিন পদার্থ বিজ্ঞানী

|

কৃষ্ণ গহ্বর সংক্রান্ত নতুন বোঝা পড়ার উন্নয়নে ভূমিকা রেখে এ বছর পদার্থ বিজ্ঞানে নোবেল পেয়েছেন এক নারীসহ যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানির তিন বিজ্ঞানী। এর মধ্যে যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের রজার পেনরোস একাই পুরস্কারের অর্ধেক পাবেন আর মার্কিন পদার্থবিদ আন্দ্রিয়া ঘেজ ও জার্মান জ্যোতির্বিদ রেইনহার্ড গেঞ্জেল পাবেন বাকি অর্ধেক অংশ। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সুইডিশ একাডেমি পুরস্কার বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করে।

১৮৯৫ সালের নভেম্বর মাসে আলফ্রেড নোবেল তার মোট উপার্জনের ৯৪% (৩ কোটি সুইডিশ ক্রোনার) দিয়ে তার উইলের মাধ্যমে নোবেল পুরষ্কার প্রবর্তন করেন। এই বিপুল অর্থ দিয়েই শুরু হয় পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, চিকিৎসাবিজ্ঞান, সাহিত্য ও শান্তিতে নোবেল পুরস্কার প্রদান। ১৯৬৮তে তালিকায় যুক্ত হয় অর্থনীতি।

চিকিৎসা বিজ্ঞানে বিজয়ীদের নাম প্রকাশের মধ্য দিয়ে সোমবার থেকে শুরু হয়েছে এবছরের পুরস্কার জয়ীদের নাম ঘোষণা। মঙ্গলবার পদার্থ বিজ্ঞানে পুরস্কার ঘোষণা করা হয়। আর তাতে উঠে আসে কৃষ্ণ গহ্বর সংক্রান্ত গবেষণা চালানো বিজ্ঞানীদের নাম।

মহাজগতের অন্যতম বিস্ময় কৃষ্ণ গহ্বর। সবকিছুকে নিজের অভ্যন্তরে টেনে নিতে সক্ষম এই শক্তিশালী বস্তু নিয়ে বৈজ্ঞানিক সত্য কিংবা কল্পনা এখনও বাস্তব হয়ে আছে বলে করছে নোবেল কমিটি। পুরস্কার ঘোষণার সময় কমিটি বলেছে, কৃষ্ণ গহ্বরের গঠন নিয়ে ব্রিটিশ বিজ্ঞানী রজার পেনরোসের আবিষ্কার আপেক্ষিকতার সাধারণ তত্ত্বের পূর্বানুমানকেই জোরালো করেছে। আর সেকারণে তিনি একাই পুরস্কারের অর্ধেক পাবেন।

অন্যদিকে, আমাদের গ্যালাক্সির কেন্দ্রস্থলে একটি বিশালাকার অখণ্ড বস্তু আবিষ্কারের জন্য পুরস্কারের বাকি অর্ধেক পাবেন যুক্তরাষ্ট্রের আন্দ্রিয়া ঘেজ এবং জার্মানির রেইনহার্ড গেঞ্জেল।

উল্লেখ্য, গত ৫৬ বছরের মধ্যে ২০১৮ সালে প্রথম নারী হিসেবে পদার্থবিদ্যায় নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন কানাডার পদার্থবিজ্ঞানী ডোনা স্ট্রিকল্যান্ড। এর আগে, ১৯০৩ সালে পদার্থবিদ্যায় প্রথম নারী হিসেবে নোবেল পুরস্কার পান ম্যারি কুরি। আর এই বছর চতুর্থ নারী হিসেবে পদার্থবিদ্যায় নোবেল পেলেন আন্দ্রিয়া ঘেজ।








Leave a reply