প্রথমবারের মতো ইতালিয়ান ওপেনের শিরোপা জিতলেন হালেপ

|

বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ক্যারোলিনা প্লিসকোভাকে হারিয়ে ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো ইতালিয়ান ওপেনের শিরোপা জয় করেছেন সিমোনা হালেপ। একইসাথে আগামী সপ্তাহ থেকে শুরু হওয়া ফ্রেঞ্চ ওপেনের আগে নিজেকে দারুনভাবে ঝালিয়ে নেবার সুযোগটাও কাজে লাগিয়েছেন।

সোমবারের ফাইনালে অবশ্য পুরো ম্যাচ খেরলেতে পারেননি ইনজুরিতে পড়া প্লিসকোভা। ৬-০, ২-১ গেমে পিছিয়ে থাকার পর এই চেক তারকা ইনজুরির কাছে হার মেনে ফাইনাল থেকে সড়ে দাঁড়ান। আর এতেই ২০১৭ ও ২০১৮ সালের পর ফোরো ইতালিকোর ক্লে কোর্টে শেষ পর্যন্ত শিরোপা হাতে নিতে সক্ষম হন শীর্ষ বাছাই হালেপ।

শিরোপা অর্জনের পর ২৮ বছর বয়সী হালেপ তবলেছেন, ‘শেষ পর্যন্ত আমি এটা জয় করতে পারলাম। ২০১৩ সালে এখান থেকেই আমি র‌্যাংকিংয়ের উন্নতি শুরু করেছিলাম। সে কারণেই এই শিরোপার জয়ের স্বপ্ন আমি সব সময়ই দেখেছি।’

বেশ কিছুদিন ধরে ক্লে কোর্টে কঠিন কিছু ম্যাচ খেলার পর প্লিসকোভা তার বাম থাইয়ে মোটা ব্যান্ডেজ করেই কাল কোর্টে নেমেছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর পেরে উঠেননি। রোমানিয়ান তারকা হালেপ বলেছেন, ‘আমি সত্যিই তার জন্য দু:খ প্রকাশ করছি। ইনজুরি নিয়ে খেলাটা মোটেই সহজ নয়।’

ম্যাচের শুরু থেকেই প্লিসকোভা তার সার্ভিস নিয়ে সমস্যায় পড়েছিলেন। ডাবল ব্রেকের পর হালেপের কাছে ৩-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়েন। পরের সার্ভিসে হালেপ তিনটি ব্রেক পয়েন্ট বাঁচিয়ে মাত্র ২০ মিনিটেই প্রথম সেট নিজের করে নেন। দ্বিতীয় সেট শুরুর আগে প্লিসকোভা তার ইনজুরির চিকিৎসা নেন। শেষ পর্যন্ত একটি গেম নিজের করে নিয়ে দ্বিতীয় সেটে ১-১ এ সমতা ফেরান। কিন্তু তৃতীয় গেমে আর খেলার মতো পর্যায়ে ছিলেন না ২৮ বছর বয়সী এই চেক তারকা। ৩২ মিনিটেই ফাইনালের ইতি টেনে শিরোপা জয়ের কৃতিত্ব দেখান হালেপ।

সিমোনা হালেপ (রোমানীয় উচ্চারণ: [siˈmona haˈlep]; জন্ম: ২৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৯১) কোস্তানার ডরুজান শহরে জন্মগ্রহণকারী রোমানিয়ার পেশাদার প্রমিলা টেনিস খেলোয়াড়।[৩] বর্তমানে তিনি বিশ্বের ৩নং র‌্যাঙ্কিংধারী খেলোয়াড়। ২০১২ সাল শেষে তিনি প্রথমবারের মতো বিশ্বের শীর্ষ ৫০ র‌্যাঙ্কিংয়ে প্রবেশ করেন। আগস্ট, ২০১৩ সালে শীর্ষ ২০ ও অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের কোয়ার্টার ফাইনাল শেষে জানুয়ারি, ২০১৪ সালে শীর্ষ ১০-এর সদস্য হন।

আরোমানীয় বংশোদ্ভূত স্তেরে ও তানিয়া হালেপ দম্পতির সন্তান তিনি।[৪][৫][৬] তার বাবা সাগিতা স্তেজারু দলের পক্ষে ফুটবল খেলেছেন। এছাড়াও একটি দুগ্ধজাত কারখানা পরিচালনা করেন।[৭][৮][৯] চার বছর বয়স থেকে বড় ভাইকে অনুসরণ করে টেনিস খেলতে শুরু করেন। ছয় বছর বয়স থেকে নিয়মিতভাবে দৈনিক অনুশীলন করতে থাকেন। ১৬ বছর বয়সে টেনিসে কর্মজীবন অতিবাহিত করার লক্ষ্য নিয়ে বুখারেস্টে চলে যান। জাস্টিন হেনিন ও আন্দ্রি পাভেলকে শৈশবে তার আদর্শ হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন।








Leave a reply